X

গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের অভিযানে সিএনজিসহ বিদেশী নাগরিকের ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার, ৩ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরির্দশক মোঃ ইলিয়াছ খান এর নেতৃত্বে একটি টিম নগরীর হালিশহর থানাধীন ফইল্যাতলী বাজার এলাকা থেকে গত ১৯/০৮/২০১৭ইং তারিখ রাত সাড়ে ৮টার সময় তালিকাভূক্ত ছিনতাইকারী ও সিএনজি টানা পার্টির সদস্য দিলীপ বণিক ওরফে মনিরুজ্জামান(৪০)কে গ্রেফতার করে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গত ২১/০৬/২০১৭ইং তারিখ খুলশী থানা এলাকায় সংঘটিত অপর আমেরিকান নাগরিকের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, আইপ্যাডসহ অন্যান্য সামগ্রী ছিনতাইয়ে জড়িত থাকার একমাত্র পলাতক আসামী মোঃ শাহজাহান (৪৪) কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী দিলীপ চাইনিজ নাগরিকের মালামাল ছিনতাই করার কথা স্বীকার করে এবং তাহার সহযোগী অপর ছিনতাইকারী মোঃ সেলিম এর তথ্য প্রকাশ করে। পরবর্তীতে আসামী দিলীপ ও শাহজানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে গত ২০/০৮/২০১৭ইং তারিখে আদালতে প্রেরণ করা হয় এবং ১০(দশ)দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

পরবর্তীতে ডবলমুরিং থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মহিউদ্দিন এর নেতৃত্বে একটি টিম আসামী দিলীপ এর স্বীকারোক্তি মতে অপর পলাতক আসামী মোঃ সেলিমকে গ্রেফতার করে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফেনী মডেল থানাধীন ষ্টেশন রোডস্থ রওশন আরা মার্কেট এর নাহার টেলিকম নামের এক দোকান থেকে ছিনতাইকৃত মাইক্রোসফট ল্যাপটপ উদ্ধার করে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ই জুলাই ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদ রোডস্থ অর্কিড হোটেলের সামনে থেকে চাইনিজ নাগরিক লি লি ল্যু(২৯) এর নিকট হতে একটি হাত ব্যাগ অজ্ঞাত নামা সিএনজি‘তে থাকা দুই জন ছিনতাইকারী ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যাতে নগদ ২ লক্ষ টাকা, ১০০০ ইউএস ডলার, ন্যাশনাল আইডিসহ অন্যান্য কাগজপত্র ছিল। বর্ণিত ঘটনা সংক্রান্তে চাইনিজ নাগরিক লি লি ল্যু(২৯) ডবলমুরিং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যার প্রেক্ষিতে ডবলমুরিং থানার মামলা করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামী্রা হলো,

০১) দিলীপ বণিক প্রকাশ মনিরুজ্জামান(৪০) পিতা-মৃত হরিপদ বণিক, মাতা-সন্ধ্যারানী, সাং-মূছাপুর, আনন্দপাঠশালা, বিঞ্চবণিক/মাষ্টার বাড়ী, থানা-সন্ধীপ জেলা-চট্টগ্রাম। বর্তমানে-দক্ষিন কাট্টলী, কলেজ রোড, থানা-পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

০২) মোঃ সেলিম (৩৮) পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মৃত মেমজাদা খাতুন, সাং-কালাপানিয়া, মালেক ড্রাইভারের বাড়ী, থানা-সন্দ্বীপ, জেলা-চট্টগ্রাম ও
বয়ার চর, জোটখালী, থানা-চরজব্বর জেলা-নোয়াখালী। বর্তমানে-ফইল্যাতলী বাজার, কলেজ রোড, থানা-পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

দুজনের বিরুদ্ধেই নগরীর কোতোয়ালী, পাহাড়তলী ও খুলশী থানায় একাধিক ছিনতাই মামলা রয়েছে।

০৩) মোঃ শাহজাহান(৪৪) পিতা-মৃত নূর ইসলাম, পালতক পিতা-মৃত জালাল আহম্মদ মাঝি সাং-ওমরপুর থানা-চরফ্যাশন জেলা-ভোলা। বর্তমানে-বড়পুল, ১০ তলা বিল্ডিং এর পার্শ্বে, থানা-হালিশহর, চট্টগ্রাম। (বর্ণিত আসামী খুশলী থানায় রুজুকৃত আমেরিকান নাগরিক/এশিয়ান উইমেন ইউনিভার্সিটির শিক্ষকের মামলার পলাতক আসামী)।
তার বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ০২টি অস্ত্র, ০২টি ছিনতাই ও ০১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে।
উদ্ধারকৃত মালামালের বর্ণনাঃ

০১) ০১টি সিএনজি, চট্টমেট্রো-থ-১১-৬২২৩(ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত)
০২)০১(এক)টি মাইক্রোসফট ল্যাপটপ।

মন্তব্য করুন

comments