বোয়ালখালীতে রহস্যজনক মৃত্যু

62
শেয়ার

বোয়ালখালীতে রহস্যজনকভাবে জহুরুল আলম (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে মূর্মূষ অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জহুরুল আলম পৌর সদরের পূর্ব গোমদন্ডী শাহ আহমদ চৌধুরী পাড়ার মৃত মীর আহমদের ছেলে।  তিনি নগরীর সিএন্ডবি এলাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে নৈশ প্রহরীর চাকুরী করতেন।  তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের ছেলে মো.সাজ্জাদ হোসেন জানায়, সন্ধ্যায় ঘর থেকে নাস্তা করে তিনি বেরিয়ে ছিলেন।  তবে কি কারণে তার মৃত্যু হয়ে তা এখনো নিশ্চিত নন।
নিহতের ছেলে মো.সাজ্জাদ হোসেন জানান, নাশতা শেষে সন্ধ্যায় ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন তার বাবা। বেশ কিছুক্ষণ পর বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান তারা। কি কারণে তার মৃত্যু হয়ে তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেনি।

এ বিষয়ে উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাপস কান্তি মজুমদার বলেন, আবু তৈয়ব নামের এক অটোরিকশা চালক জহুরুল আলমকে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার কিছুক্ষণ পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

জহুরুলের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাননি বলে জানান তিনি। তবে কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নিহতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।  ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পৌর সদরের বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় ৩/৪জনের যুবক জহুরুল আলমকে অটো রিকশা মধ্যে মারধর করলে স্থানীয়রা তাকে তাদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেয়।  এরপর পুনরায় পৌর সদরের খায়ের মঞ্জিল এলাকায় আবারো ওই যুবকরা গতিরোধ করে মারধর করলে জহুরুল তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।  তিনি গোমদন্ডী ফুল এলাকা গিয়ে সড়কের উপর অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান।  সেখান থেকে অটো রিকশা চালক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এ ঘটনায় পশ্চিম গোমদন্ডীর ছৈয়দ মেম্বার বাড়ির ছুন্নু মিয়ার ছেলে আবু তৈয়বকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

উপজেলা জাসদের সভাপতি মনির উদ্দিন খান জানান, নিহত জহুরুল স্থানীয় সাংসদ মঈন উদ্দিন খান বাদলের ভাগিনা হয়।

মন্তব্য করুন

comments