দিশেহারা চট্টগ্রামের কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা

49
শেয়ার

প্রয়োজনীয় ব্যাংক ঋণ না পাওয়ার পাশাপাশি ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে লাখ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে থাকায় প্রতিবারের মতো এবারো অনেকটা দিশেহারা চট্টগ্রামের কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা। আসন্ন কোরবানির ঈদে ৫ লাখ পিসের বেশি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আর্থিক সংকটে তা ভেস্তে যেতে পারে বলে আশংকা ব্যবসায়ীদের।

গত বছর বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রায় ৫ লাখ পশুর চামড়া সংগ্রহ করেন বন্দর নগরীর চামড়া ব্যবসায়ীরা। এসব চামড়া এখানে লবণ দিয়ে প্রাথমিক প্রক্রিয়ার পর পাঠানো হয় ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত সে চামড়ার পুরো মূল্য পায়নি এখানকার ব্যবসায়ীরা। গত দু’বছরে চামড়া বিক্রির ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

ঢাকায় ট্যানারি মালিক থেকে শুরু করে চামড়া ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টরা ব্যাংক ঋণ পেলেও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত। অথচ চলতি বছর ৫ লাখের বেশি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, এ প্রসঙ্গে মদিনা ট্যানারির মালিক আবু মোহাম্মদ বলেছেন, এক সময় সারাদেশের মধ্যে চট্টগ্রামের টানারি চামড়া সংগ্রহে এগিয়ে ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের দুটি ট্যানারি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে তারা বৈষম্যের শিকার ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে চট্টগ্রামের বন্ধ ট্যানারি দুটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে কোরবানির পশুর চামড়া ভারতে পাচার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তাই এবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে শহরমুখী চামড়াবাহী ট্রাকগুলোর সীমান্ত অভিমুখে যাত্রা ঠেকাতে অতিরিক্ত চেকপোষ্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

নগরীর মুরাদপুর থেকে আতুরার ডিপো হয়ে আমিন জুট মিল পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এলাকায় রয়েছে আড়াইশ’র বেশি চামড়ার আড়ৎ রয়েছে। সংগৃহীত চামড়ার পুরোটাই ঢাকায় সরবরাহ করা হয়।

সূত্রঃ সময় টিভি

মন্তব্য করুন

comments