নিমতলায় মর্মান্তিক দূর্ঘটনার পর ভাঙ্গা সড়ক মেরামত শুরু

81
শেয়ার
ছবিঃ সংগৃহিত

নগরীর পোর্ট কানেকটিং রোডে গতকাল ঘটে যাওয়া দূর্ঘটনায় তিনজনের মর্মান্তিক প্রাণহানির পর ভাঙ্গা সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

আজ সকাল সাড়ে নয়টা থেকে চসিকের প্রকৌশল বিভাগের রাস্তা মেরামতকারী দল ও ঠিকাদারদের লোকজনকে গর্ত ভরাটের কাজ করতে দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৩ আগস্ট) নিমতলা এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন মো. মোশাররফ হোসেন মুসা (৫০), মো. ওয়াজেদ আলী বাবুল (৪৫) ও সিএনজি চালক মো. জসিম সিকদার (৩৮)।অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান রামগতি লক্ষ্মীপুরের বিবিরহাট এলাকার আবদুল মোতালেবের ছেলে মো. সাইদুল (২৬) ও পশ্চিম লক্ষ্মীপুরের দুধু মিয়া বেপারির বাড়ির মো. শফিউল্লাহর ছেলে মো. সুজন (২৯)।

চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, মেয়রের নির্দেশ অনুযায়ী পাঁচ দিনের মধ্যে পোর্ট কানেকটিং রোডের সব গর্ত ভরাটের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ লক্ষ্যে দিনে-রাত সমানে কাজ চলছে। এ মাসের বাকি ১৮ দিনের মধ্যে নগরীর সব প্রধান সড়কের খানাখন্দ ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার মিশন নিয়ে কাজ করছে চসিক।

নিমতলা এলাকায় দায়িত্বরত চসিকের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সকাল থেকে দেড়শ শ্রমিক গর্ত ভরাটের কাজ করছে। নিমতলা বিমান চত্বর থেকে ব্রিজ পর্যন্ত অংশে ছয়টি দলে ভাগ হয়ে শ্রমিকরা কাজ করছে। সারা রাত চলবে।

তিনি বলেন, পোর্ট কানেকটিং সড়কটি ১৮ হাজার ৬০০ ফুট লম্বা। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটির বেহাল দশা হয়েছে। এখানে খানাখন্দ নিয়মিত ভরাট করা হলেও সম্প্রতি ভারী বর্ষণের সময় এবং জোয়ারের পানি উঠে খুব বেশি খারাপ অবস্থা হয়েছে। আমরা বড় গর্তগুলো ফিলিং করে সলিন করে দিচ্ছি। ছোট গর্তগুলোতে কংক্রিটের মেকাডাম দিচ্ছি।

সড়কটি নতুনভাবে তৈরির জন্য জাইকার অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যখন সড়কটি তৈরি করেছিল তখন বন্দরের ২৫-৩০ টন ওজনের লরি চলাচলের বিষয়টি হয়তো ভাবা হয়নি। সাত-আট ইঞ্চির দুর্বল মেকাডামের ওপর নির্মিত সড়কটি ভারী গাড়ির লোড নিচ্ছে না। এখানে কমপক্ষে আড়াই ফুট মেকাডাম এবং সড়কটি উঁচু করা দরকার।

মন্তব্য করুন

comments