ডিসেম্বরেই পুরোপুরি চালু আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার জিইসি মোড়ে র‌্যাম্প ও ল্যুপসহ এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে ২০১৮ সালের জুনে

115
শেয়ার

লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত নির্মিত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার এ বছরের ডিসেম্বরে যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান।

ষোলশহর দুই নম্বর গেইট মোড়ে র‌্যাম্প ও ল্যুপ নির্মাণ শেষ হলেই ফ্লাইওভারটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে। শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, “কমপ্লিট ফ্লাইওভার চালু হবে আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে।”

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‍“জিইসি মোড়ের চারটি র‌্যাম্প ছাড়া এটি চলাচলের জন্য চালু করা হবে। পুরোপুরি চালু হলে জিইসি মোড়ের কাজ শুরু হবে।” দুই নম্বর গেইট ও জিইসি মোড়ে র‌্যাম্প ও ল্যুপসহ এটির নির্মাণ কাজ ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন ফ্লাইওভারটির একটি লেইন পরীক্ষামূলকভাবে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। আর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের মার্চে।

শুরুতে এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৪৬২ কোটি টাকা। পরে র‌্যাম্প ও লুপ যুক্ত হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বেড়ে হয় ৬৯৮ কোটি টাকা। এ কারণে প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এছাড়া মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার রাস্তার পুরোটাই নতুন করে সংস্কার এবং পুননির্মাণ করে দেয়া হবে।

নগরীর ওআর নিজাম রোডে হোটেল ওয়েল পার্কে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান ছালাম চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

সভায় লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ আগামী অক্টোবর থেকে শুরু করার কথাও জানান।

তিনি বলেন, এটিতে নগরীর টাইগার পাস, আগ্রাবাদ, বারিক বিল্ডিং, কাস্টমস মোড়, ইপিজেড, কেইপিজেড, কাঠগড়, সি বিচ এলাকায় গাড়ি ওঠা নামার ব্যবস্থা থাকবে।

মন্তব্য করুন

comments