পটিয়া থেকে জব্দ করা ডিমগুলো নকল নয়

138
শেয়ার
ছবিঃ সংগৃহিত

পটিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরীক্ষায় জব্দ করা ডিম নকল নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। আগামী রোববার প্রতিবেদনটি আদালতে জমা দেওয়া হবে

গত ২৮ জুলাই নকল সন্দেহে পটিয়ার একটি দোকান থেকে প্রায় দুই হাজার ডিম জব্দ করে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ডিমগুলো পরীক্ষার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

পটিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি স্থানীয় থানায় জমা দেন। তিনি জানান, পরীক্ষায় ডিমগুলো আসল প্রমাণিত হয়েছে। এগুলো নকল ডিম নয়।

গত ২৮ জুলাই রাতে পটিয়া আদালতের এক বিচারক উপজেলা সদরের কামাল বাজারের শাহ আমির পোলট্রি ফার্ম নামের দোকান থেকে এক ডজন ডিম কেনেন। পরে তাঁর বাসায় একটি ডিম ভাজার জন্য ভাঙা হয়। দেখা যায়, ডিমের কুসুম ঘোলা। সন্দেহ হওয়ায় ডিমের ভাঙা খোসাগুলো গরম তেলে দেওয়া হয়। দেখা যায় খোসা তেলে গলে গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে ওই বিচারক বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ওই দোকান থেকে দুই হাজার ডিম জব্দ করে। এ ঘটনায় দোকানমালিক মো. আরমান ও ডিমের পাইকারি বিক্রেতা মোহাম্মদ বেলালকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে পটিয়া থানায় মামলা করা হয়।

জব্দ করা ডিম পরীক্ষা শেষে পটিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীরের সই করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরীক্ষার সময় ভাঙা ডিমটিতে পচা গন্ধ বের হয়। ভালো ডিম নষ্ট হওয়ার পর যে লক্ষণ থাকে, ওই ডিমটিতে সব লক্ষণ বিদ্যমান ছিল। বিচারক যে ডিমগুলো বাসায় ভেঙেছিলেন, এগুলো সম্ভবত কেন্ডিলিং ডিম ছিল। কেন্ডিলিং ডিম হলো সেসব ডিম যা বাচ্চা ফুটানোর উদ্দেশে হ্যাচিং মেশিনে দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

comments